![]() |
"টুনটানি ঘোড়ামির গল্প" হলো একটি বাংলা প্রশিক্ষণ ও মৌসুমিক কিশোর উপন্যাস, যা স্বজনের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ এবং সহজবোধ্য ভাষায় বর্ণনা করে। এই গল্পের লেখক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
টুনটানি ঘোড়ামি হলো একটি বালিকা যার প্রিয় খেলনা টুনটানি ঘোড়া চলার খেলনা। এই ঘোড়ামি একদিন হারিয়ে যায় এবং গল্পটি সেই হারিয়ে গেলা টুনটানি ঘোড়ামি এবং তার বন্ধুদের উপর ভরসা করে। সঙ্গেই এই গল্পে একটি শিক্ষা দেওয়া হয়েছে যে কিভাবে সাহায্যের জন্য অন্যকে আবারও বিশ্বাস করা গুরুত্বপূর্ণ।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই গল্পে সমাজের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত লোক ও সংস্কৃতির প্রতি তার মনোভাব ও দৃষ্টিভঙ্গি ব্যক্ত করেন। তিনি তার লেখায় সাহিত্যিক ছবির মাধ্যমে তার কল্পনার দুনিয়ায় পড়তেন এবং তার গল্পে বিভিন্ন সামাজিক মূল্য ও শেখা দেওয়া হয়। "টুনটানি ঘোড়ামির গল্প" তার এই ধারাবাহিক লেখার একটি উদাহরণ
ছোট্ট একটি গ্রামে ছিল একটি মিষ্টি বালিকা নামে টুনটানি। টুনটানি ছিল একটি অতুলনীয় ঘোড়ামি, যার চোখে আলো আর মুখে সবসময় একটি হাসি। টুনটানির সাথে থাকতে গল্পগুলি প্রিয় ছিল সবার। সবাই একে অপেক্ষা করতে থাকতে, কারণ টুনটানির গল্পে ছিল মজা আর শিক্ষা।
একদিন, টুনটানি পায়ে বসে আলোয় হাসতে হাসতে গ্রামের দিকে যাচ্ছিল। সে দেখলো, একটি ছোট ছেলে দাড়িয়ে আছে একটি বৃদ্ধ মুদি দিয়ে খোদাই করছে। টুনটানি অচেনা ছেলের দিকে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলো, "কি করছো তুমি?"
ছেলেটি হাসে উত্তর দিল, "আমি আমার স্কুলের জন্য একটি বিশেষ প্রকল্পে মুদি তৈরি করছি। আমি চাইতেছি আমার গ্রাম প্রদর্শন করতে এবং সবার কাছে একটি প্রচেষ্টা করতে।"
টুনটানি হাসি হাসি উত্তর দিল, "এটা কি আবার একটি মজার গল্প হতে চলেছে! আমি তো তোমার সাথে থাকতে চাই, আমি তোমার সাথে তৈরি মুদির মাধ্যমে মিষ্টি গল্প শুনতে চাই!"
এবং একে অপরকে আবারও মিষ্টি গল্প শোনানো হোক, তাদের জীবন হোক সবসময় হাসির ভরা।
.jpg)