সোনার জল গল্প

 

সোনার জল গল্প

 

একসময় একটি ছোট গ্রামে একটি মুদির কুড়ালে সোনার জল পাওয়া গিয়েছিল। মুদির কুড়ালটি একটি বৃহত্তর গাঁওয়ার হাতে ছিল, যে গাঁওয়ার লোকরা প্রতি দিন তাদের প্রতিফলনে খামার কাজে অবলম্বন করত। মুদি খুব খুশি ছিল, কারণ সে এখন মুদির পূর্ণ পরিবারের জন্য অসীম সোনার জল পায়েছিল।


একদিন, মুদি একটি বৃষ্টির দিনে অত্যন্ত হাসির সাথে তার গাঁওয়ার হাতে গিয়ে বলল, "এখন থেকে আমি তোমাদের প্রতি মুক্তি দিতে আসছি। তোমরা আবার কোনোদিন আমার অতীতে আসতে পারবে এবং অমূল্য সোনার জল পাবে।"


গাঁওয়ার লোকরা খুব আনন্দিত হয়েছিলেন এবং মুদির কাছে ধন্যবাদ জানায়। তারা এই উদার দানের জন্য মুদির কাছে সত্যি কৃতজ্ঞ ছিলেন।


একদিন, মুদি অসীম সোনার জল নিয়ে গাঁওয়ার হাতে ফিরে আসলে তার আগের সোনার জলও খুব ছোট হয়ে গিয়েছিল। গাঁওয়ার লোকরা আশ্চর্যে ভরা হয়ে উঠে এবং মুদির কাছে যাচ্ছিলেন। কিন্তু মুদি স্বভাবিকভাবে হাসতে হাসতে বলল, "আমি তোমাদের জন্য একটি মৌল্যবান শিক্ষা দেতে চাই। প্রতি দিন আপনাদের চেষ্টা করতে হবে এবং প্রতি অনুভূতি গুলি মূল্যবান হবে, তাদের উপকারিতা নেবেন না।"


এবং এরপর থেকে গাঁওয়ার লোকরা বুঝতে শুরু করলেন যে, সোনার জল মৌল্যবান এবং অসীম হওয়ার প্রতি কঠিনাই অসীম হওয়ার একটি মূল্যবান প্রশিক্ষণ ছিল।


এই গল্পটি আমাদেরকে শেখা দেয় যে, মৌল্যবান জিনিসগুলি হারাও যাওয়ার পরে এমনি পুনরুদ্ধার করা সহজ নয়, কিন্তু তাদের মূল্য ও প্রতিরূপ বুঝতে হলে তাদের মৌল্যবান|

Post a Comment

Previous Post Next Post

ads

ads